জিহ্বা বন্ধন (Tongue-tie)

জিহবা জড়তা/ টাং টাই (Tongue Tie)

জিহ্বা বন্ধন বা “এনকিলোগ্লোসিয়া (Ankyloglossia)” হলো একটি জন্মগত সমস্যা, যেখানে জিহ্বার নিচের অংশের ফ্রেনুলাম (একটি ছোট টিস্যু ব্যান্ড) স্বাভাবিকের চেয়ে ছোট বা শক্ত হয়। ফলে জিহ্বার নড়াচড়া সীমিত হয়ে যায়।

লক্ষণ:

১. শিশুদের ক্ষেত্রে:

মায়ের বুকের দুধ ভালোভাবে চুষতে না পারা

দুধ পান করার সময় চট করে ক্লান্ত হয়ে যাওয়া

দুধ পান করতে গিয়ে অস্বস্তি বা কান্না করা

  1. শিশু ও বড়দের ক্ষেত্রে:

জিহ্বা সহজে উপরে বা পাশে নড়াতে না পারা

জিহ্বা বাইরে বের করতে অসুবিধা হওয়া

“ল” বা “র” উচ্চারণ করতে সমস্যা হওয়া

খাওয়ার সময় কিছু খাবার চিবিয়ে খেতে অসুবিধা হওয়া

বাড়িতে কীভাবে পরীক্ষা করা যায়?

✅ জিহ্বা বের করে দেখতে বলো। যদি সে জিহ্বা পুরোপুরি বাইরে আনতে না পারে, তাহলে Tongue-tie থাকতে পারে।
✅ জিহ্বা দিয়ে উপরের তালু স্পর্শ করতে বলো। যদি এটি করতে অসুবিধা হয়, তাহলে এটি একটি ইঙ্গিত হতে পারে।
✅ “ল”, “র”, “ট” ধ্বনি উচ্চারণ করাতে চেষ্টা করো। যদি সমস্যা হয়, তাহলে Tongue-tie থাকতে পারে

কারণ:

জিহ্বার নিচের ফ্রেনুলাম সাধারণত ভ্রূণ অবস্থায় আলগা হয়ে যায়, কিন্তু কিছু শিশুর ক্ষেত্রে এটি আলগা না হয়ে শক্তভাবে লেগে থাকে, যার ফলে জিহ্বার নড়াচড়া বাধাগ্রস্ত হয়।

সমস্যার প্রভাব:

যদি এটি গুরুতর হয়, তাহলে—

শিশুদের ক্ষেত্রে দুধ খেতে অসুবিধা হয় এবং ওজন কমতে পারে।

বড়দের ক্ষেত্রে কথা বলা বা খাওয়া কিছুটা কঠিন হতে পারে।

চিকিৎসা:

সবসময় চিকিৎসার দরকার হয় না, কারণ অনেক শিশুর ক্ষেত্রে জিহ্বার বন্ধন স্বাভাবিকভাবে আলগা হয়ে যায়। তবে যদি সমস্যা বেশি হয়, তাহলে—

  1. ফ্রেনুলোটমি (Frenulotomy): এটি একটি ছোট্ট সার্জারি, যেখানে ডাক্তার একটি ছোট কাট দিয়ে জিহ্বাকে মুক্ত করে দেন।

ডাঃ এস, এম, নাজমুল ইসলাম
এমবিবিএস,  এমএস( শিশু সার্জারী)
মেম্বার হাইপোসপেডিয়াস ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি
পেডিয়েট্রিক ইউরোলজি ট্রেনিং(ইন্ডিয়া)
ইউরোলজি ট্রেনিং (BSMMU)
নবজাতক, শিশু-কিশোর সার্জারী বিশেষজ্ঞ 
সহকারী অধ্যাপক
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইন্সটিটিউট।
Hotline: 01777331511
www.drnazmulislam.com

চেম্বারঃ
অ্যালায়েন্স হসপিটাল লিমিটেড
২৪/৩ খিলজী রোড (রিং রোড)
শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭
রুগি দেখার সময়ঃ বিকাল ৫:০০ – সন্ধ্যা ৭: ০০টা।
(শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন)

শিশুসার্জন #শিশুসার্জারি #শিশু_ইউরোলজি

day_care_surgery #circumcision #best_pediatric_surgeon #Hypospadiascare

nazmul #খতনা #খাতনা #হাইপোসপেডিয়াস #শিশুহাসপাতাল#congenitalঅনমালি

drnazmul #ডাঃ_নাজমুল#Hypospadias

হার্নিয়া #হার্নিয়া_লক্ষণ #মুসলমানি #খতনা #অন্ডকোষ #hirschsprungsdisease

শিশুর বমি: vomiting

শিশুর বমি: কারণ, করণীয় ও প্রতিকার

শিশুর বমি সাধারণত স্বাভাবিক বিষয় হতে পারে, তবে কখনো কখনো এটি গুরুতর সমস্যার লক্ষণও হতে পারে।

🟠 শিশুর বমির সাধারণ কারণ:

১. অতিরিক্ত খাওয়া বা গ্যাসের সমস্যা
• নবজাতক বা ছোট শিশু যদি বেশি খেয়ে ফেলে, তাহলে দুধ বা খাবার হজম করতে না পেরে বমি করতে পারে।
• খাবারের পরপরই নড়াচড়া করলে বা ঝাঁকুনি লাগলে বমি হতে পারে।

২. ভাইরাস বা সংক্রমণ (Viral Gastroenteritis)
• শিশুর পেটে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ (পেটের ইনফেকশন) হলে বমি হতে পারে।
• সাধারণত এই অবস্থায় পাতলা পায়খানা (ডায়রিয়া), জ্বর ও পেট ব্যথা দেখা দেয়।

3. খাদ্যে অ্যালার্জি বা অসহিষ্ণুতা
• কিছু শিশু গরুর দুধ, ডিম, সয়াবিন বা অন্যান্য খাবারের প্রতি সংবেদনশীল হতে পারে, যা বমির কারণ হতে পারে।

4. ফিডিং সমস্যা (Reflux বা GERD)
• ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে পেটে থাকা খাবার ফিরে গলায় উঠে আসতে পারে, যাকে গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স (GERD) বলা হয়।

5. খাদ্যে বিষক্রিয়া (Food Poisoning)
• যদি শিশুর খাবারে ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস থাকে, তবে বমির সঙ্গে ডায়রিয়া ও পেট ব্যথা হতে পারে।

6. অন্যান্য কারণ:
• জ্বর ও সর্দি-কাশির সময় শিশুর বমি হতে পারে।
• প্রস্রাবের ইনফেকশন, Septicemia, Meningitis
• অন্ত্রের বাঁধা (Intestinal Obstruction): যদি বমির রঙ সবুজ বা রক্ত মিশ্রিত হয়, তবে এটি মারাত্মক সমস্যা হতে পারে।
• Appendicitis

🟢 শিশুর বমি হলে করণীয়:

✅ সাধারণ বমির জন্য (যদি শিশুর অবস্থা গুরুতর না হয়)

✔ শিশুকে হাইড্রেট রাখুন:
• ORS (ওরাল রিহাইড্রেশন সলিউশন) বা স্যালাইন পানি দিন।
• বুকের দুধ খাওয়ান (যদি নবজাতক হয়)।

✔ খাবার ধীরে ধীরে দিন:
• চিনি ছাড়া ডাল বা ভাতের মাড় খাওয়ানো যেতে পারে।
• মসলা ও চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।

✔ শিশুকে বিশ্রামে রাখুন:
• অতিরিক্ত নড়াচড়া করলে বমির প্রবণতা বাড়তে পারে।

✔ ধাপে ধাপে তরল দিন:
• বমি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত খুব বেশি খাবার বা পানি একসাথে খাওয়াবেন না।

❌ যে বিষয়গুলো এড়িয়ে চলা উচিত:

🚫 একবারে অনেক খাবার খাওয়াবেন না।
🚫 বাজারের এন্টিবায়োটিক বা বমি বন্ধের ওষুধ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া দেবেন না।

🔴 কখন ডাক্তার দেখাবেন?

👉 শিশুর বমির পাশাপাশি নিচের যেকোনো লক্ষণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান:
• শিশু অতিরিক্ত দুর্বল বা পানি শূন্য (ডিহাইড্রেশন) হয়ে যাচ্ছে (শুকনো ঠোঁট, কান্নায় জল না আসা, প্রস্রাব কম হওয়া)।
• বমির রঙ সবুজ বা রক্ত মিশ্রিত।
• টানা ১২-২৪ ঘণ্টা ধরে বারবার বমি হচ্ছে।
• শিশুর পেট ব্যথা বেশি হচ্ছে বা পেট ফুলে যাচ্ছে।
• উচ্চ জ্বর (১০২°F বা তার বেশি) আছে।

🔹 উপসংহার:

✅ শিশু যদি সাধারণ কারণে বমি করে, তবে ওআরএস, পর্যাপ্ত পানি ও হালকা খাবার দিলেই ভালো হয়ে যায়।
🚨 কিন্তু যদি বমির রঙ অস্বাভাবিক হয়, দীর্ঘসময় ধরে চলে, বা অন্যান্য গুরুতর লক্ষণ থাকে, তাহলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

ডাঃ এস, এম, নাজমুল ইসলাম
পেডিয়েট্রিক ইউরোলজি ট্রেনিং(ইন্ডিয়া)
ইউরোলজি ট্রেনিং (BSMMU)
নবজাতক, শিশু-কিশোর সার্জারী বিশেষজ্ঞ
সহকারী অধ্যাপক
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইন্সটিটিউট।
Hotline: 01777331511

চেম্বারঃ
অ্যালায়েন্স হসপিটাল লিমিটেড
২৪/৩ খিলজী রোড (রিং রোড)
শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭

#শিশু_সার্জন #শিশু_সার্জারি #শিশু_ইউরোলজি
#day_care_surgery #circumcision #best_pediatric_surgeon #Hypospadiascare
#nazmul #খতনা #খাতনা #হাইপোসপেডিয়াস #শিশু_হাসপাতাল#congenital_অনমালি
#drnazmul #ডাঃ_নাজমুল#Hypospadias
#হার্নিয়া #হার্নিয়া_লক্ষণ #মুসলমানি #খতনা #অন্ডকোষ #hirschsprungsdisease #বমি #vomiting

হার্শপ্রাং ডিজিজ (Hirschsprung Disease)

হার্শপ্রাং রোগ (Hirschsprung’s Disease) কারন , লক্ষণ ও চিকিৎসা

হার্শপ্রাং ডিজিজ (Hirschsprung Disease) হলো একটি জন্মগত অন্ত্রের সমস্যা, যেখানে শিশুর বৃহৎ অন্ত্রের (কোলন) কিছু অংশ স্নায়ুকোষ (ganglion cells) ছাড়া থাকে। ফলে সেই অংশ মল সরানোর জন্য সংকোচন (peristalsis) করতে পারে না, যার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য ও অন্ত্রের ব্লকেজ তৈরি হয়।

হার্শপ্রাং রোগের কারণ: ✅️

হার্শপ্রাং রোগের মূল কারণ হলো স্নায়ুকোষের (ganglion cells) অনুপস্থিতি, যা গর্ভাবস্থায় অন্ত্রের স্বাভাবিক বিকাশের সময় গঠিত হয় না।
• জেনেটিক কারণ:
• প্রায় ২০% ক্ষেত্রে এটি পারিবারিক বা বংশগত হয়ে থাকে।
• কিছু নির্দিষ্ট জিনগত পরিবর্তন (RET gene mutation) এই রোগের জন্য দায়ী।
• ডাউন সিনড্রোম (Down Syndrome) এবং অন্যান্য জেনেটিক ডিজঅর্ডারে আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে হিরশস্প্রুং রোগ বেশি দেখা যায়।
• অন্ত্রের নার্ভের অসম্পূর্ণ বিকাশ:
• ভ্রূণের বিকাশের সময় ১০-১২ সপ্তাহের মধ্যে নার্ভ সিস্টেম তৈরি হয়।
• যদি স্নায়ুকোষ অন্ত্রের শেষ অংশ পর্যন্ত না পৌঁছায়, তবে সেই অংশ সংকুচিত হয়ে থাকে এবং স্বাভাবিকভাবে মল সরাতে পারে না।

হার্শপ্রাং রোগের লক্ষণ: ✅️

লক্ষণগুলো শিশুর বয়স অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে:

১. নবজাতকের ক্ষেত্রে:
• জন্মের ২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মলত্যাগ না করা (Meconium Pass না হওয়া)
• পেট ফোলা ও শক্ত হয়ে যাওয়া
• বমি হওয়া (সবুজ বা হলুদ রঙের)
• খেতে না চাওয়া ও অতিরিক্ত কান্না করা

২. বড় শিশুর ক্ষেত্রে:
• দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য (Chronic Constipation)
• পেট ব্যথা ও গ্যাস জমে থাকা
• মলত্যাগে কষ্ট ও পাতলা ডায়রিয়ার মতো মল (Overflow Diarrhea)
• ওজন কমে যাওয়া বা বেড়ে না ওঠা

৩. জটিলতা থাকলে:
• এন্টারোকোলাইটিস (Enterocolitis):
• অন্ত্রের মারাত্মক সংক্রমণ হতে পারে।
• লক্ষণ: উচ্চ জ্বর, রক্ত-মিশ্রিত পাতলা পায়খানা, পেট ব্যথা ও ফোলা
• জীবন-হানিকর হতে পারে, তাই জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন।

হার্শপ্রাং রোগের ডায়াগনোসিস (নির্ণয়): ✅️

১. এনামা এক্স-রে (Barium Enema X-ray):
• কোলনে ব্যারিয়াম ডাই প্রবেশ করিয়ে এক্স-রে করা হয়, যাতে ব্লকেজ ও সংকোচন ধরা পড়ে।

২. রেক্টাল ম্যানোমেট্রি (Rectal Manometry Test):
• অন্ত্রের রেক্টামে একটি বেলুন ঢুকিয়ে পরীক্ষা করা হয়, যেখানে স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া না থাকলে এটি হিরশস্প্রুং রোগের ইঙ্গিত দেয়।

৩. বায়োপসি (Rectal Biopsy) – সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা:
• অন্ত্রের ভেতর থেকে টিস্যু সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়, যাতে নার্ভ কোষের অনুপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়।

চিকিৎসা: ✅️

হার্শপ্রাং রোগের সার্জারি

এই রোগের একমাত্র কার্যকর চিকিৎসা হলো অস্ত্রোপচার (Surgery)।

১. পুল-থ্রু সার্জারি (Pull-through Surgery):
• আক্রান্ত অন্ত্রের অংশ কেটে ফেলে সুস্থ অংশকে সংযুক্ত করা হয়।
• বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি একবারেই কার্যকর হয়।

২. কোলস্টমি বা আইলিওস্টমি (Colostomy/Ileostomy) – গুরুতর ক্ষেত্রে:
• যদি শিশু মারাত্মক অসুস্থ হয়, তাহলে প্রথমে অন্ত্রের সুস্থ অংশকে পেটের বাইরে একটি ছিদ্রের (স্টোমা) মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়, যাতে মল সহজে বাহির হতে পারে।
• পরবর্তী সময়ে পুল-থ্রু সার্জারি করে অন্ত্রকে স্বাভাবিক করা হয়।

সার্জারির পর জীবনযাত্রা ও যত্ন: ✅️

১. খাদ্যাভ্যাস:

✔ প্রচুর পানি পান করানো – কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সহায়ক।
✔ আঁশযুক্ত খাবার (ফল, সবজি, দই) – অন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে।
✔ দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার কমানো – কিছু শিশুর ক্ষেত্রে এগুলো কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়ায়।

২. টয়লেট ট্রেনিং:

✔ নিয়মিত টয়লেট করার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।
✔ কিছু শিশু সার্জারির পর মল ধরে রাখতে কষ্ট পেতে পারে, তাই ধৈর্য ধরতে হবে।

৩. ইনফেকশন প্রতিরোধ:

✔ সার্জারির পর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
✔ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ফলো-আপ করা।

হার্শপ্রাং রোগ থেকে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা ✅️

✔ সঠিক চিকিৎসা পেলে বেশিরভাগ শিশু স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।
✔ কিছু ক্ষেত্রে সামান্য কোষ্ঠকাঠিন্য বা মল ধরে রাখার সমস্যা থাকতে পারে, তবে এটি চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণযোগ্য।
✔ গুরুতর জটিলতা এড়াতে প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা করানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ❇️❇️❇️

ডাঃ এস, এম, নাজমুল ইসলাম
পেডিয়েট্রিক ইউরোলজি ট্রেনিং (ইন্ডিয়া)
সহকারী অধ্যাপক
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইন্সটিটিউট।
Hotline: 01777331511
www.drnazmulislam.com

চেম্বারঃ
অ্যালায়েন্স হসপিটাল লিমিটেড
২৪/৩ খিলজী রোড (রিং রোড)
শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭
রুগি দেখার সময়ঃ বিকাল ৫:০০ – সন্ধ্যা ৭: ০০টা।
(শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন)

শিশুসার্জন #শিশুসার্জারি #শিশু_ইউরোলজি

day_care_surgery #circumcision #best_pediatric_surgeon #Hypospadiascare

nazmul #খতনা #খাতনা #হাইপোসপেডিয়াস #শিশুহাসপাতাল#congenitalঅনমালি

drnazmul #ডাঃ_নাজমুল#Hypospadias

হার্নিয়া #হার্নিয়া_লক্ষণ #মুসলমানি #খতনা #অন্ডকোষ #হার্শপ্রাং #Hirschsprungdisease

রমজান মাসে কি খাবেন কি এড়িয়ে চলবেন

রমজান মাসে কি খাবেন কি এড়িয়ে চলবেন

রমজান মাসে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং কিছু খাবার এড়িয়ে চলা গুরুত্বপূর্ণ, যাতে সারাদিন শক্তি ধরে রাখা যায় এবং শরীর সুস্থ থাকে।

সেহরিতে কী খাবেন:

✅ প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার: ডিম, দই, মুরগি, মাছ, ডাল, বাদাম ইত্যাদি।
✅ স্লো-ডাইজেস্টিং কার্বোহাইড্রেট: ওটস, ব্রাউন ব্রেড, লাল চালের ভাত, ।
✅ ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার: ফলমূল (আপেল, কলা, খেজুর), শাকসবজি, চিয়া সিড।
✅ পর্যাপ্ত পানি: সেহরিতে প্রচুর পানি ও হালকা শরবত পান করুন।

🚫 সেহরিতে যা এড়িয়ে চলবেন:
❌ অতিরিক্ত লবণযুক্ত ও মসলাদার খাবার (ঝাল, ভাজা-পোড়া)।
❌ চিনি বেশি আছে এমন খাবার (মিষ্টি, সফট ড্রিংক)।
❌ চা ও কফি (এগুলো শরীর ডিহাইড্রেট করে)।

ইফতারে কী খাবেন:

✅ খেজুর ও পানি: খেজুর দ্রুত শক্তি দেয় ও হজমে সহায়ক।
✅ ফল ও শরবত: তরমুজ, কমলা, লেবুর শরবত, ডাবের পানি।
✅ হালকা ও স্বাস্থ্যকর খাবার: ছোলা, দই-চিঁড়া, সালাদ, স্যুপ, গ্রিলড মুরগি বা মাছ।

🚫 ইফতারে যা এড়িয়ে চলবেন:
❌ বেশি তেল-চর্বিযুক্ত ভাজাপোড়া (সমুচা, পুরি, পেঁয়াজু)।
❌ অতিরিক্ত মিষ্টি (সিরা-ভেজানো মিষ্টি, সফট ড্রিংক)।
❌ অতিরিক্ত ঠান্ডা পানীয় (এটি হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে)।

তারাবিহ ও রাতের খাবার:

✅ হালকা ভাত, রুটি, সবজি, মাছ বা মুরগি খেতে পারেন।
✅ প্রচুর পানি পান করুন।

রমজানে স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে সুষম ও পরিমিত খাবার খাওয়া উচিত, যাতে সারাদিন শক্তি থাকে ও সুস্থ থাকা যায়!

ডাঃ এস, এম, নাজমুল ইসলাম
সহকারী অধ্যাপক
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইন্সটিটিউট।
Hotline: 01777331511
www.drnazmulislam.com

শিশুসার্জন #শিশুসার্জারি #শিশু_ইউরোলজি #best_pediatric_surgeon #সেহরী #ইফতার #রোজা #রমজান

nazmul #শিশু_হাসপাতাল

drnazmul #ডাঃ_নাজমুল

Mucus retention cyst (mucocele)

Mucus retention cyst (mucocele)

Mucus retention cyst (mucocele) অপারেশন করার সময় নির্ভর করে এর লক্ষণ ও জটিলতার উপর। নিচের পরিস্থিতিতে অপারেশন করানো উচিত:

১. যদি সিস্ট বড় হয় বা বারবার হয়
• যদি সিস্টের আকার ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে।
• যদি বারবার একই জায়গায় সিস্ট হয়।

২. যদি ব্যথা বা অস্বস্তি হয়
• খাবার খেতে বা কথা বলতে সমস্যা হয়।
• চাপ দিলে ব্যথা বা সংবেদনশীলতা অনুভূত হয়।

৩. যদি নিজে নিজে না সারে
• সাধারণত ছোট মিউকোসিল কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নিজে নিজে সেরে যায়।
• কিন্তু যদি কয়েক মাস ধরে না সারে, তাহলে অপারেশন লাগতে পারে।

৪. যদি ফেটে গিয়ে আবার ফিরে আসে
• কিছু ক্ষেত্রে সিস্ট ফেটে যেতে পারে, কিন্তু পরে আবার দেখা দেয়।
• এ ধরনের পুনরাবৃত্তির ক্ষেত্রে অপারেশন করা ভালো।

৫. যদি সিস্টের কারণে সংক্রমণ হয়
• যদি সিস্ট থেকে পুঁজ বের হয় বা লালচে হয়ে যায়।
• মুখে অন্য জায়গায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকলে।

অপারেশন পদ্ধতি:
• সাধারণত লোকাল অ্যানেস্থেশিয়া দিয়ে এটি কেটে ফেলে দেওয়া হয়।
• পুরো সিস্ট এবং আশেপাশের ক্ষতিগ্রস্ত লালা গ্রন্থি সরিয়ে ফেলা হয়, যাতে এটি আবার না হয়।

ডাক্তারের পরামর্শ:
যদি আপনার মিউকোসেল দীর্ঘদিন ধরে থেকে যায় বা সমস্যা সৃষ্টি করে, তাহলে একজন শিশু সার্জারি বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করা উচিত।

ডাঃ এস, এম, নাজমুল ইসলাম
সহকারী অধ্যাপক
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইন্সটিটিউট।
Hotline: 01777331511
www.drnazmulislam.com

পোস্টেরিয়র ইউরেথ্রাল ভালভ (PUV)

প্রসাবের রাস্তায় পর্দা। posterior urethral valve

পোস্টেরিয়র ইউরেথ্রাল ভালভ (PUV) কী ❓️

পোস্টেরিয়র ইউরেথ্রাল ভালভ (PUV) হলো একটি জন্মগত সমস্যা, যা পুরুষ শিশুদের মধ্যে সাধারণত দেখা যায়। এটি মূত্রনালির একটি প্রতিবন্ধকতা বা ব্লকেজ, যা ব্লাডারে মূত্র জমা হওয়ার কারণ হতে পারে। মূত্রনালির পিছনের অংশে (পোস্টেরিয়র) এক ধরনের পাতলা টিস্যু বা ঝিল্লি তৈরি হয়, যা মূত্র প্রবাহকে বাধা দেয়।

পোস্টেরিয়র ইউরেথ্রাল ভালভ (PUV) কেন হয়?

পোস্টেরিয়র ইউরেথ্রাল ভালভ (PUV) একটি জন্মগত ত্রুটি, যা গর্ভাবস্থার সময় বিকশিত হয়। এটি তখন ঘটে যখন ভ্রূণের বিকাশের সময় পুরুষ শিশুর মূত্রনালির (ইউরেথ্রা) পিছনের অংশে (পোস্টেরিয়র) একটি পাতলা ঝিল্লি বা টিস্যু গঠিত হয়, যা প্রস্রাবের স্বাভাবিক প্রবাহকে বাধা দেয়।

PUV কেন হয় তার সঠিক কারণ এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। তবে, এটি সাধারণত ভ্রূণের স্বাভাবিক বিকাশের সময় জিনগত বা অজানা কারণে ত্রুটির কারণে ঘটে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে এটি কিছু ক্ষেত্রে পরিবারের মধ্যে দেখা যেতে পারে, তবে সাধারণত এটি একক এবং বিক্ষিপ্ত ঘটনা হিসেবে ঘটে।

এর সঠিক কারণ সম্পর্কে গবেষণা চলছে, তবে এটি বোঝা যায় যে এটি মূলত গর্ভের ভেতরে ইউরিনারি ট্র্যাক্টের অস্বাভাবিক গঠনের কারণে হয়।

PUV-এর লক্ষণসমূহ:

  • প্রস্রাব করতে কষ্ট হওয়া বা বেগ অনুভব করা
  • প্রস্রাবের ধারা ক্ষীণ বা ছেঁড়া হওয়া
  • মূত্রথলির অস্বাভাবিক বৃদ্ধি
  • বার বার প্রস্রাবের সংক্রমণ (ইউটিআই)
  • পেটের নিচে বা কোমরের ব্যথা
  • শিশুদের মধ্যে প্রস্রাবের সময় কান্না করা বা অস্বস্তি প্রকাশ করা

চিকিৎসা:

PUV এর চিকিৎসা সাধারণত সার্জারির মাধ্যমে করা হয়। এক্ষেত্রে ইউরোলজিস্ট ভালভের বাধা দূর করার জন্য সিস্টোস্কোপির মাধ্যমে ভালভ কেটে ফেলতে পারেন। এছাড়া, মূত্রথলির চাপ কমাতে এবং কিডনির কার্যকারিতা বজায় রাখতে মেডিকেল ম্যানেজমেন্টও প্রয়োজন হতে পারে।

PUV একটি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা, তাই সময়মত সঠিক চিকিৎসা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ডাঃ এস, এম, নাজমুল ইসলাম
শিশু বিশেষজ্ঞ সার্জন ও শিশু ইউরোলজিসট
সহকারী অধ্যাপক
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইন্সটিটিউট।
Hotline: 01777331511

যে খাবার খেলে কিডনীর ক্ষতি হয়

কিডনির সঠিক কাজ বজায় রাখতে, কিছু খাবার ও পানীয় পরিমিতভাবে খাওয়া উচিত। অতিরিক্ত বা নিয়মিতভাবে এসব খাবার গ্রহণ করলে কিডনির ক্ষতি হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে:

1. অতিরিক্ত লবণ: বেশি লবণযুক্ত খাবার কিডনিতে চাপ সৃষ্টি করে, যা উচ্চ রক্তচাপ এবং কিডনির ক্ষতির কারণ হতে পারে।

2. প্রসেসড ফুড: প্রসেসড বা প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত লবণ ও রাসায়নিক থাকে, যা কিডনির জন্য ক্ষতিকর।

3. মিষ্টি খাবার ও পানীয়: বেশি চিনি গ্রহণ করলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে, যা কিডনির ক্ষতি করতে পারে।

4. লাল মাংস: বেশি পরিমাণে লাল মাংস খাওয়া কিডনিতে প্রোটিনের চাপ বাড়ায় এবং ক্রনিক কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

5. অ্যালকোহল: অতিরিক্ত মদ্যপান কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস করতে পারে।

6. কৃত্রিম মিষ্টি ও স্ন্যাকস: এই ধরনের খাবারে ফসফেট এবং অ্যাডিটিভ থাকে, যা কিডনির জন্য ক্ষতিকর।

7. সফট ড্রিঙ্ক ও এনার্জি ড্রিঙ্ক: এগুলোতে অতিরিক্ত চিনি ও ক্যাফেইন থাকে, যা কিডনির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

8. উচ্চ প্রোটিনযুক্ত ডায়েট: প্রোটিনের অতিরিক্ত পরিমাণ গ্রহণ কিডনিতে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

স্বাস্থ্যকর কিডনি বজায় রাখতে, পানি বেশি পান করুন, ফল ও সবজি বেশি খান এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডাঃ এস, এম, নাজমুল ইসলাম

এমবিবিএস, এমএস( শিশু সার্জারী)

পেডিয়েট্রিক ইউরোলজি ট্রেনিং(ইন্ডিয়া)

ইউরোলজি ট্রেনিং (BSMMU)

নবজাতক, শিশু-কিশোর সার্জারী বিশেষজ্ঞ

সহকারী অধ্যাপক

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইন্সটিটিউট।

Hotline: 01777331511

www.drnazmulislam.com

#শিশু_সার্জন #শিশু_সার্জারি #শিশু_ইউরোলজি

শিশুরা প্রসাব করার সময় কান্না করে কেন?

শিশুরা প্রস্রাব করার সময় কান্নাকাটি করার কারণগুলো সাধারণত তাদের শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া বা কোনো অস্বস্তির কারণে হতে পারে। কিছু সাধারণ কারণ হলো:

1. অস্বস্তি বা ব্যথা: 💠
শিশুর প্রস্রাবের পথে সংক্রমণ (UTI) বা যেকোনো ধরনের জ্বালাপোড়া হলে তারা প্রস্রাবের সময় ব্যথা অনুভব করে, যা কান্নার কারণ হতে পারে।

2. ভেজা অনুভব:💠
প্রস্রাব করার পর ভেজা অবস্থায় থাকা তাদের জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে। তারা এটি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য কান্না করে।

3. অজানা অনুভূতি:💠
নবজাতক শিশুদের জন্য প্রস্রাব করার প্রক্রিয়া একটি নতুন অনুভূতি হতে পারে, যা তাদের অস্বস্তিকর বা অদ্ভুত লাগতে পারে।

4. ঠান্ডা বা গরম লাগা:💠
প্রস্রাবের সময় শরীর ঠান্ডা বা গরম অনুভব করলে শিশুরা অস্বস্তি অনুভব করে এবং কান্না করতে পারে।

5. ক্ষুধা বা ক্লান্তি:💠
অনেক সময় শিশু ক্লান্ত বা ক্ষুধার্ত হলে প্রস্রাবের সময় কান্না করে।

যদি শিশুর কান্নার সঙ্গে প্রস্রাবের রঙ পরিবর্তন, জ্বর বা অতিরিক্ত জ্বালাপোড়া দেখা যায়, তবে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ডাঃ এস, এম, নাজমুল ইসলাম
এমবিবিএস,  এমএস( শিশু সার্জারী)
মেম্বার হাইপোসপেডিয়াস ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি
পেডিয়েট্রিক ইউরোলজি ট্রেনিং(ইন্ডিয়া)
ইউরোলজি ট্রেনিং (BSMMU)
নবজাতক, শিশু-কিশোর সার্জারী বিশেষজ্ঞ 
সহকারী অধ্যাপক
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইন্সটিটিউট।
Hotline: 01777331511
www.drnazmulislam.com

শিশুর মাসিকের রাস্তা বন্ধ বা ল্যাবিয়াল অ্যাডহেশন (Labial Adhesion)

শিশুর মাসিকের রাস্তা বন্ধ বা ল্যাবিয়াল অ্যাডহেশন (Labial Adhesion)

শিশুর মাসিকের রাস্তা বন্ধ বা ল্যাবিয়াল অ্যাডহেশন (Labial Adhesion) হলো একটি শারীরিক অবস্থা যেখানে যোনির দুই পাশের ল্যাবিয়া মাইনোরা একে অপরের সঙ্গে লেগে যায় বা বন্ধ হয়ে যায়। এটি সাধারণত ছোট মেয়েদের ক্ষেত্রে দেখা যায় এবং সাধারণত কোনো গুরুতর সমস্যা নয়। তবে কখনো কখনো এটি চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

ল্যাবিয়াল অ্যাডহেশনের কারণ ▶️
1. এস্ট্রোজেন হরমোনের ঘাটতি: শিশুর বয়স কম থাকায় শরীরে এস্ট্রোজেনের মাত্রা কম থাকে।
2. ইনফেকশন বা প্রদাহ: ডায়াপার র‍্যাশ, প্রস্রাবে জ্বালা, বা যোনি অঞ্চলের প্রদাহের কারণে ল্যাবিয়া একসঙ্গে লেগে যেতে পারে।
3. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব: যোনি এলাকা অপরিষ্কার থাকলে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।
4. আঘাত বা জ্বালাপোড়া: স্থানীয় আঘাত বা ইনফেকশন থেকে চামড়া জুড়ে যেতে পারে।

লক্ষণ ▶️
• প্রস্রাব করার সময় ব্যথা বা অসুবিধা।
• যোনি প্রবেশপথ আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ।
• প্রস্রাব একসঙ্গে বের না হয়ে ছিটকে অন্যদিকে যাওয়া।
• যোনি অঞ্চলে লালচে বা ফোলা ভাব।

চিকিৎসা ▶️
মৃদু অবস্থায় (Self-Care):🔅
• অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে (এস্ট্রোজেনের বৃদ্ধি) ঠিক হয়ে যায়।
• প্রতিদিন হালকা উষ্ণ পানিতে পরিষ্কার রাখুন।
• যোনি এলাকায় ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
মেডিক্যাল চিকিৎসা:🔅
1. এস্ট্রোজেন ক্রিম:
• ডাক্তারের পরামর্শে স্থানীয়ভাবে এস্ট্রোজেন ক্রিম ব্যবহার করা হয়।
• এটি ল্যাবিয়াকে আলাদা করতে সাহায্য করে।
2. স্টেরয়েড ক্রিম:
• যদি এস্ট্রোজেন ক্রিম কাজ না করে, তবে স্টেরয়েড ক্রিম ব্যবহার করা হতে পারে।
সার্জারি (অত্যন্ত গুরুতর ক্ষেত্রে):🔅
• যদি ক্রিম বা সাধারণ চিকিৎসায় কাজ না হয়, তবে ডাক্তার ল্যাবিয়া আলাদা করার জন্য ছোট একটি সার্জিকাল পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।
• এটি খুবই নিরাপদ এবং সাধারণত দ্রুত সেরে যায়।

প্রতিরোধ ▶️
1. প্রতিদিন শিশুর যোনি এলাকা পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন।
2. ডায়াপার বদলের সময় যত্ন নিন।
3. ডায়াপার র‍্যাশ বা যেকোনো প্রদাহ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা করুন।
4. যোনি অঞ্চলে খসখসে কাপড় বা সাবান ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।

ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগের সময় ▶️
• যদি শিশুর প্রস্রাবে কোনো সমস্যা হয়।
• যদি প্রদাহ বা ব্যথা বাড়তে থাকে।
• যদি ঘরে চিকিৎসা করার পরেও ল্যাবিয়া আলাদা না হয়।
সঠিক যত্ন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসা নিলে এটি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য।

ডাঃ এস, এম, নাজমুল ইসলাম
এমবিবিএস,  এমএস( শিশু সার্জারী)
মেম্বার হাইপোসপেডিয়াস ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি
পেডিয়েট্রিক ইউরোলজি ট্রেনিং(ইন্ডিয়া)
ইউরোলজি ট্রেনিং (BSMMU)
নবজাতক, শিশু-কিশোর সার্জারী বিশেষজ্ঞ 
সহকারী অধ্যাপক
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইন্সটিটিউট।
Hotline: 01777331511
www.drnazmulislam.com

ডারময়েড সিস্ট (Dermoid Cyst)

ডারময়েড সিস্ট (Dermoid Cyst)

ডারময়েড সিস্ট (Dermoid Cyst) একটি ধরনের বেনাইন (নিরীহ) টিউমার, যা সাধারণত শরীরের ত্বকের নিচে, ডিম্বাশয় (ovary), মেরুদণ্ড, বা চোখের আশেপাশে গঠিত হয়। এটি এক ধরনের টেরাটোডারমাল টিউমার যা বিভিন্ন ধরনের টিস্যু যেমন চুল, দাঁত, ত্বক, এবং ফ্যাট ধারণ করতে পারে।

** সাধারণ লক্ষণ:
1. চোখ বা ত্বকের নিচে:
• ফোলা বা শক্ত গিঁটের মতো অনুভব হয়।
• ব্যথা বা অস্বস্তি সাধারণত থাকে না।
2. ডিম্বাশয়ে (Ovarian Dermoid Cyst):
• তলপেটে ব্যথা।
• মাসিকের অনিয়ম।
• ফোলাভাব বা অস্বস্তি।
3. মেরুদণ্ডে:
• পিঠে ব্যথা।
• নার্ভ সংক্রান্ত সমস্যা হতে পারে।

** ডারময়েড সিস্টের ধরণ:

ডারময়েড সিস্ট বিভিন্ন স্থানে হতে পারে, যার মধ্যে প্রধান কিছু উল্লেখযোগ্য:

ক) ডিম্বাশয়ে ডারময়েড সিস্ট (Ovarian Dermoid Cyst):
• অবস্থান: ডিম্বাশয়ে (ovary) গঠিত হয়।
• লক্ষণ:
• তলপেটে ব্যথা।
• গ্যাস বা ফোলাভাব।
• মাসিকের সমস্যা।
• কিছু ক্ষেত্রে সিস্ট ফেটে গেলে জরুরী চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।

খ) ত্বকের নিচে (Cutaneous Dermoid Cyst):
• অবস্থান: সাধারণত মাথার তালু, চোখের আশেপাশে, বা নাকের কাছে।
• লক্ষণ:
• একটি ছোট ফোলা গিঁট যা স্পর্শ করলে নরম বা শক্ত অনুভূত হয়।
• তেমন ব্যথা হয় না।

গ) মেরুদণ্ডের (Spinal Dermoid Cyst):
• অবস্থান: মেরুদণ্ডের আশেপাশে।
• লক্ষণ:
• পিঠে ব্যথা।
• চলাফেরায় সমস্যা।
• নার্ভের সমস্যা।

** ডারময়েড সিস্ট কেন হয়?

ডারময়েড সিস্ট সাধারণত জন্মগত হয়। গর্ভাবস্থার সময় শিশুর টিস্যু বিকাশের সময় ত্বক, চুল, দাঁত, বা অন্যান্য কোষগুলো সঠিকভাবে আলাদা না হলে এই সিস্ট তৈরি হতে পারে।

** ডারময়েড সিস্টের পরীক্ষা-নিরীক্ষা:
• আল্ট্রাসাউন্ড (Ultrasound): সিস্টের অবস্থান ও গঠন জানতে।
• সিটি স্ক্যান (CT Scan): গভীর সিস্ট নির্ণয়ে।
• এমআরআই (MRI): মেরুদণ্ড বা ডিম্বাশয়ের সিস্ট বিশ্লেষণে।

** ডারময়েড সিস্টের চিকিৎসা:

ক) ছোট সিস্ট:

যদি সিস্ট ছোট হয় এবং কোনো সমস্যা না করে, তবে চিকিৎসক পর্যবেক্ষণ করতে পারেন।

খ) অস্ত্রোপচার:
1. ল্যাপারোস্কোপি:
• আধুনিক পদ্ধতি, ছোট কাটের মাধ্যমে সিস্ট সরানো হয়।
• সুস্থ হতে সময় কম লাগে।
2. খোলা অস্ত্রোপচার (Open Surgery):
• সিস্ট বড় হলে বা জটিল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।

** ডারময়েড সিস্ট নিয়ে সতর্কতা:
• যদি সিস্ট থেকে ব্যথা, ফোলা, বা তাপমাত্রা বৃদ্ধি ঘটে, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত।
• ডিম্বাশয়ের সিস্ট ফেটে গেলে বা ঘুরে গেলে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন।

ডাঃ এস, এম, নাজমুল ইসলাম

এমবিবিএস,  এমএস( শিশু সার্জারী)

মেম্বার হাইপোসপেডিয়াস ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি

পেডিয়েট্রিক ইউরোলজি ট্রেনিং(ইন্ডিয়া)

নবজাতক, শিশু-কিশোর সার্জারী বিশেষজ্ঞ

সহকারী অধ্যাপক

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইন্সটিটিউট।

Hotline: 01777331511

www.drnazmulislam.com

চেম্বারঃ ১

অ্যালায়েন্স হসপিটাল লিমিটেড

২৪/৩ খিলজী রোড (রিং রোড)

শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭

রুগি দেখার সময়ঃ বিকাল ৫:০০ – সন্ধ্যা ৭: ০০টা।

(শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন)