Email : drsmnazmulislam@gmail.com

Hotline : +8801777331511

মাঙ্কি পক্স কি?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি এক বিশেষ ধরনের বসন্ত রোগ। জলবসন্ত বা গুটিবসন্তের প্রতিকার থাকলেও বিরল এ রোগটি নিরাময়ে এখনও পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনও চিকিৎসাপদ্ধতি নেই।

💢 রোগের প্রাথমিক লক্ষণ কী?

  • গায়ে বসন্তের মতো গুঁটি
  • জল ফোসকা
  • প্রচণ্ড জ্বালা
  • সঙ্গে জ্বর
  • কাঁপুনি ও ক্লান্তি
  • মাথা যন্ত্রণা
  • পিঠে ও গায়ে ব্যথা

জ্বর শুরু হওয়ার পর দেহে গুটি দেখা দেয়। এসব গুটি শুরুতে দেখা দেয় মুখে। পরে তা ছড়িয়ে পড়ে হাত এবং পায়ের পাতাসহ দেহের অন্যান্য জায়গায়। এই গুটির জন্য রোগী দেহে খুব চুলকানি হয়। পরে গুটি থেকে ক্ষত দেখা দেয়। জল বসন্তের মতোই রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠলেও দেহে সেই ক্ষত চিহ্ন রয়ে যায়।

💢 কিভাবে ছড়ায় ?
সংক্রমিত রোগীর ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শ থেকে এই ভাইরাস ছড়ায়। আগে চিকিৎসকদের ধারণা ছিল ‘ড্রপলেট’-এর মাধ্যমেই ছড়ায় এ রোগ। তাই বিশেষজ্ঞরা ভেবেছিলেন, শ্বাসনালি, ক্ষত স্থান, নাক, মুখ কিংবা চোখের মাধ্যমে এ ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে সুস্থ ব্যক্তির দেহে। কিন্তু নতুন আক্রান্তদের পরীক্ষা করে চিকিৎসকদের আশঙ্কা, যৌন মিলনের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে মাঙ্কি ভাইরাস।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বানর, ইঁদুর, কাঠবিড়ালি, এমনকি মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত রোগীর ব্যবহৃত বিছানাপত্র থেকেও এই ভাইরাস অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে।

💢 চিকিৎসা :
এই ভাইরাসের নির্দিষ্ট কোন চিকিৎসা নেই। তবে যে কোনো ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের মতই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়ে এর প্রকোপ রোধ করা যায়। মাঙ্কিপক্সের জন্য নির্দিষ্ট কোনো টিকাও নেই। তবে গুটিবসন্তের ভাইরাসের সঙ্গে মাঙ্কিপক্সের জীবাণুর মিল রয়েছে। ফলে গুটিবসন্তের টিকা নেওয়া থাকলে তা মাঙ্কিপক্সের বিরুদ্ধেও ৮৫ শতাংশ সুরক্ষা দিতে পারে।

💢 মাঙ্কি পক্স কিভা‌বে প্রতিরোধ করবেন?

  • ভাইরাসকে আশ্রয় করতে পারে এমন প্রাণীর সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।
  • অসুস্থ প্রাণীর সংস্পর্শে থাকা বিছানার মতো যে কোনও উপকরণের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।
  • সংক্রামিত রোগীদের অন্যদের থেকে আলাদা রাখুন ।
  • সংক্রামিত প্রাণী বা মানুষের সংস্পর্শে আসার পরে ভাল ভাবে সাবান এবং পানি দিয়ে আপনার হাত ধৌত করুন।
  • রোগীদের যত্ন নেওয়ার সময় ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম ব্যবহার করুন।

যেহেতু এ রোগ সাধারণভাবে প্রাণঘাতী নয় এবং সাধারণত রোগ দেখা দেওয়ার ১৪ থেকে ২১ দিনের মধ্যে রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন। তাই এটি নিয়ে উদ্বেগের তেমন কারণ নেই বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ডাঃ এস, এম, নাজমুল ইসলাম
Hotline: 01777-331511
শিশু সার্জারী বিশেষজ্ঞ
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইন্সটিটিউট